বগুড়া শহরের সাতমাথা এলাকার বিভিন্ন ইলেকট্রিক মার্কেট ও দোকানে অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) বগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়। সোমবার (৫ অক্টোবর) পরিচালিত এ সার্ভিল্যান্সে অনুমোদন ও লাইসেন্সবিহীন বৈদ্যুতিক পণ্য বিক্রি এবং সিএম লাইসেন্স ছাড়া এলইডি বাল্ব সংযোজনের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।
বিএসটিআই বগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্যোগে বগুড়া সদর উপজেলার সাতমাথা এলাকার মেরিনা মার্কেট, নাজ কমপ্লেক্স, আনোয়ারা মার্কেটসহ বিভিন্ন ইলেকট্রিক দোকান ও গোডাউনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে বিএসটিআই অনুমোদিত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত এলইডি বাল্ব, পাওয়ার কেবল, ফ্লেক্সিবল ও ইনসুলেটেড কেবল, সুইচ-সকেট, রেগুলেটর, সিলিং ফ্যান ও টিউব লাইটসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক পণ্য বিক্রয় ও বিতরণের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সিএম লাইসেন্স গ্রহণ না করে এলইডি বাল্ব সংযোজন করে খোলা অবস্থায় ব্যাগে ভরে বিক্রি ও বিতরণ না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযানে বিদ্যুৎ প্রবাহ, আই আর ইলেকট্রনিক্স, জ্যোতি স্টার এনার্জি, রাহুল ইলেকট্রিক, পাপ্পু ইলেকট্রিক, রহিম ইলেকট্রিক, গোল্ডেন সাউন্ড ও পারভীন ইলেকট্রিকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়।
এছাড়া নাজ কমপ্লেক্সে অবস্থিত ইভানা কেবলসের শোরুম পরিদর্শন করে সকল ভ্যারিয়েন্টের কেবলের বৈধ সিএম লাইসেন্স সংরক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
বিএসটিআই জানায়, পরিদর্শন করা ১ থেকে ৮ নম্বর প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ পণ্য সরিয়ে ফেলা এবং সিএম লাইসেন্স গ্রহণ ছাড়া এলইডি বাল্ব সংযোজন না করার জন্য সাত কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়, বগুড়ার সহকারী পরিচালক (সিএম) মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সিনিয়র এক্সামিনার (মেট) মোঃ শাহ আলম খান পলাশ এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) মোঃ শাহানূর হোসেন খার সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করেন।
বিএসটিআই বগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয় জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।