রাজারহাটে সচেতনতামূলক সভায় বাল্যবিবাহ ও যৌতুকবন্ধে ইউএনও’র জোরালো আহ্বান

রাজারহাটে সচেতনতামূলক সভায় বাল্যবিবাহ ও যৌতুকবন্ধে  ইউএনও’র জোরালো আহ্বান
‘বাল্যবিবাহ, নারী নির্যাতন ও যৌতুক নিরোধে’ সচেতনতামূলক এক সভা গত ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, রাজারহাট, কুড়িগ্রামের আয়োজনে এ সভায় সমাজের নানা স্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তানজিলা তাসনিম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি; এটি মেয়েদের শৈশব কেড়ে নেয়, তাদের স্বপ্নকে পদদলিত করে। আইনের প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়াতেই হবে। যৌতুকের নামে নারীরা যেন আর নির্যাতনের শিকার না হন, সেজন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জয়ন্তী রানী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন একাডেমিক সুপারভাইজার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও রাজারহাট উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আনিছুর রহমান লিটন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছিনাই ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ও ইউপি সদস্যবৃন্দ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সুধীজনেরা সভায় অংশ নেন।মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জয়ন্তী রানী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘শুধু প্রশাসনের পক্ষে এই সামাজিক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় নেতাদেরও সচেতন হতে হবে। কন্যাদায়গ্রস্ত পরিবারগুলোর আর্থিক সহায়তা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।’সাংবাদিক মোঃ আনিছুর রহমান লিটন বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি নিয়মিত এসব বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করি, তবে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাবে। যৌতুকপ্রথা বন্ধ করতে হলে প্রথমে আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে।’সভায় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭-এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয় এবং নারী নির্যাতন ও যৌতুক নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বক্তারা সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।আয়োজকরা জানান, সামাজিক এই ব্যাধি নির্মূলে এ ধরনের সচেতনতামূলক সভা অব্যাহত থাকবে। আগামী দিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আরও কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
🕒 ৫ ঘণ্টা আগে

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা: মানবিকের ধসেই ফল খারাপ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা: মানবিকের ধসেই ফল খারাপ
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফল হয়েছে এ বছর। শিক্ষা বোর্ডগুলোর গড় পাসের হার, ফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫; দুটিই এবার কমেছে। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা মোট পরীক্ষার্থীর এক-তৃতীয়াংশের বেশি। শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে এবং বেড়েছে সব পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।গতকাল সোমবার প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মানবিক বিভাগের অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া, ইংরেজি ও গণিতে কম পাসের হার এবং মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিলে পাসের হার কমে যাওয়ায় এবারের সামগ্রিক ফল খারাপ হওয়ায় বড় ভূমিকা রেখেছে। এর সঙ্গে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার হলে এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নে ‘কড়াকড়ি’ও পাসের হার কমে যাওয়ায় প্রভাব ফেলেছে।সার্বিক ফলাফলের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, মানবিক বিভাগে এবার ফল খারাপ হয়েছে। ইংরেজি ও গণিতে শিক্ষার্থীদের পাসের হার কম হওয়ায় সামগ্রিক ফলাফলে এর প্রভাব পড়েছে।দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলতি বছরের এসএসসি এবং সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। ১১ শিক্ষা বোর্ডের গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। গতবারের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জনের।ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০০৭ সালের পর চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার সবচেয়ে কম। ২০০৭ সালে গড় পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। অন্যদিকে ২০২১ সালে দেশে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছিল।এবারের সার্বিক ফলাফল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে এটাও প্রকৃত মূল্যায়ন নয়। প্রকৃত মূল্যায়নের জন্য প্রয়োজন প্রকৃত শিক্ষা ও শিক্ষাদর্শন। এগুলোর কোনোটি এখনো আমাদের হয়নি। মূল্যায়নকেন্দ্রিক পরীক্ষা থেকে আমাদের বের হতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘ইংরেজি ও গণিতে খারাপ ফল করার অন্যতম কারণ দক্ষ শিক্ষকের অভাব। আমাদের এদিকে নজর দিতে হবে।’ ২খারাপ ফলের পেছনে মানবিকের ধসচলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সবচেয়ে খারাপ ফল হয়েছে মানবিক বিভাগে। এই বিভাগে পাসের হার মাত্র ৪৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ। অর্থাৎ মানবিক বিভাগের প্রতি ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫১ জনের বেশি পাস করতে পারেনি। বিপরীতে বিজ্ঞান বিভাগে গড় পাসের হার ৮০ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষায় ৬৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।বোর্ডভিত্তিক ফলাফলেও মানবিক বিভাগের ধসের চিত্র স্পষ্ট। ঢাকা বোর্ডে এই বিভাগে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৬২ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৪৬ দশমিক ৭৯, কুমিল্লা বোর্ডে ৫০ দশমিক ৬১, যশোর বোর্ডে ৫৫ দশমিক ৫৭, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৩৮ দশমিক ৭৯, বরিশাল বোর্ডে ৪৯ দশমিক ৩৪, সিলেট বোর্ডে ৪৮ দশমিক ১৬, দিনাজপুর বোর্ডে ৩৮ দশমিক ৭৫ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৪৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ।দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস আহমেদ বলেন, ‘কেন ফল খারাপ হয়েছে, তা পর্যালোচনা না করে এখনই বলা সম্ভব নয়। আমরা আগে ফলাফল পর্যালোচনা করব। মোটামুটি এবার সব শিক্ষা বোর্ডেই ফল কিছুটা খারাপ হয়েছে।’ইংরেজি-গণিতে পাসের হার কমফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইংরেজি ও গণিতের ফলাফল এবার সামগ্রিক পাসের হারে বড় প্রভাব ফেলেছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ইংরেজিতে মাত্র চারটি বোর্ডে পাসের হার ৭৫ শতাংশের বেশি। এগুলো হলো ঢাকা বোর্ড, কুমিল্লা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।বাকি বোর্ডগুলোর মধ্যে রাজশাহী বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৭ শতাংশ, যশোরে ৭১ দশমিক ৮৪, চট্টগ্রামে ৭২ দশমিক ২৭, বরিশালে ৬৯ দশমিক ২৪, সিলেটে ৬৯ দশমিক ১১, দিনাজপুরে ৭২ দশমিক ৯১ এবং ময়মনসিংহে ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ।গণিতেও একই চিত্র। পাঁচটি বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৭৫ শতাংশের নিচে। এর মধ্যে দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৬৯ দশমিক ৬১, মাদ্রাসা বোর্ডে ৬৯ দশমিক ৯৭ এবং কারিগরি বোর্ডে ৭০ দশমিক ৯১ শতাংশ। ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, যশোর ও সিলেট শিক্ষা বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৭৫ শতাংশের বেশি।দাখিলেও পাসের হারে বড় ধসবরাবর তুলনামূলক ভালো ফল করা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলেও এবার ধস নেমেছে। এ বছর দাখিল পরীক্ষায় ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিলেও পাস করেছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৭৯ জন। পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ, যা ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সর্বনিম্ন।গত বছর দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। অর্থাৎ এবার পাসের হার কমেছে ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ। গত বছর দাখিলে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৯ হাজার ৬৬ জন। এবার পেয়েছে মাত্র ২ হাজার ৩৫০ জন।জানতে চাইলে মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খোন্দকার মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পরীক্ষার হল ও খাতা মূল্যায়নে ‘কড়াকড়ি’র প্রভাবও আছেএবার পরীক্ষার হলে এবং খাতা বা উত্তরপত্র মূল্যায়নে আগের বছরের তুলনায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল। এ ছাড়া কয়েক বছর পর এবারই প্রথম পূর্ণ সিলেবাস এবং পূর্ণ নম্বরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা হয়েছে। এবারই প্রথম সব পরীক্ষার কেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছিল। কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ছিল ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরা। ফলে শিক্ষার্থীরা অসদুপায় অবলম্বনের এবং নকল করার তেমন সুযোগ পায়নি। এর প্রভাবও পড়েছে ফলাফলে।জানতে চাইলে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম হোসেন আলী বলেন, ‘ইংরেজি ও গণিতের কারণে ফল খারাপ হয়েছে। সে কারণে পাসের হার কমেছে। সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়ন করা হয়েছে। কাউকে অতিরিক্ত নম্বর দেওয়া হয়নি। ফল কিছুটা খারাপের এটাও কারণ।’শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বক্তব্যেও খাতা মূল্যায়নে হাত খুলে নম্বর না দেওয়ার বিষয়টি এসেছে। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘চাইলেই পাবলিক পরীক্ষার খাতায় মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না। খাতায় যা লিখেছে শিক্ষার্থীরা, সেই অনুযায়ী নম্বর পেয়েছে।’
🕒 ১২ ঘণ্টা আগে
৪২ বিজিবি এর পৃথক ০৩টি বিশেষ অভিযানে ট্যাপেন্টাডল,ফেন্সিবিল উদ্ধার।

৪২ বিজিবি এর পৃথক ০৩টি বিশেষ অভিযানে ট্যাপেন্টাডল,ফেন্সিবিল উদ্ধার।

দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর পৃথক ০৩টি বিশেষ অভিযানে দিনাজপুর জেলার বিরল ও ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল সীমান্তে ভারতীয় ফেন্সিবিল উদ্ধারবর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের জানমাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বদা সচেষ্ট। চোরাচালান, মাদক, মানব ও অস্ত্র পাচারসহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বাহিনীটি বরাবরই প্রশংসনীয় সাফল্য প্রদর্শন করে আসছে।এই ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১০ আগস্ট ২০২৬, রাত ২১৪০ ঘটিকায় দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধীনস্থ মৌচোষা বিওপি কর্তৃক দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলাধীন সীমান্ত পিলার ৩২৯/৫-এস হতে আনুমানিক ১ কিঃমিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চৌধুরীপাড়া লিচুবাগান নামক এলাকা হতে মালিকবিহীন অবস্থায় ২০ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।এছাড়া গত ১০ আগস্ট ২০২৬, রাত ২৩২০ ঘটিকায় দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধীনস্থ বৈরচুনা বিওপি কর্তৃক ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলাধীন সীমান্ত পিলার ৩৩৫/৩-এস হতে আনুমানিক ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দৌপাইল নামক এলাকা হতে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫৯ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।তাছাড়া অদ্য ১১ আগস্ট ২০২৬, রাত ০৩১০ ঘটিকায় দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধীনস্থ পার্বতীপুর বিওপি কর্তৃক ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলাধীন সীমান্ত পিলার ৩৪৪/৭-এস হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোচাল নামক এলাকা হতে মালিকবিহীন অবস্থায় ৭১ বোতল ভারতীয় ফেন্সিবিল উদ্ধার করা হয়।আটককৃত মাদকদ্রব্যের সর্বমোট সিজার মূল্য ৫২,১০০/- (বায়ান্ন হাজার একশত) টাকা।উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া সংশ্লিষ্ট মাদক ব্যবসায়ীদের শনাক্তকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতের পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি ভবিষ্যতেও কঠোর ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।
🕒 ৩ ঘণ্টা আগে

সারাদেশ

৪২ বিজিবি এর পৃথক ০৩টি বিশেষ অভিযানে ট্যাপেন্টাডল,ফেন্সিবিল উদ্ধার।

৪২ বিজিবি এর পৃথক ০৩টি বিশেষ অভিযানে ট্যাপেন্টাডল,ফেন্সিবিল উদ্ধার।

দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর পৃথক ০৩টি বিশেষ অভিযানে দিনাজপুর জেলার বিরল ও ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয়

🕒 ৩ ঘণ্টা আগে
রাজারহাটে সচেতনতামূলক সভায় বাল্যবিবাহ ও যৌতুকবন্ধে  ইউএনও’র জোরালো আহ্বান

রাজারহাটে সচেতনতামূলক সভায় বাল্যবিবাহ ও যৌতুকবন্ধে ইউএনও’র জোরালো আহ্বান

‘বাল্যবিবাহ, নারী নির্যাতন ও যৌতুক নিরোধে’ সচেতনতামূলক এক সভা গত ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই

🕒 ৫ ঘণ্টা আগে
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা: মানবিকের ধসেই ফল খারাপ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা: মানবিকের ধসেই ফল খারাপ

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফল হয়েছে এ বছর। শিক্ষা বোর্ডগুলোর গড়

🕒 ১২ ঘণ্টা আগে