
সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২বিজিবি) নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদকের বিস্তার রোধ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে বাহিনীটি। এরই ধারাবাহিকতায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ০৮ ঘটিকায় দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধীনস্থ দিহানগর বিওপির একটি টহলদল অভিযান পরিচালনা করে। গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায়, সীমান্ত এলাকা থেকে একজন মাদক পাচারকারী একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাণীশংকৈল থানা হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার দিকে আসছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির টহলদল দ্রুত সম্ভাব্য এলাকায় পৌঁছে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে এবং সন্দেহভাজন ট্রাকটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। একপর্যায়ে ট্রাকটিকে থামার সংকেত দেওয়া হলে চালক তা অমান্য করে দ্রুতগতিতে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবির টহলদল ট্রাকটিকে ধাওয়া করে ঠাকুরগাঁও সদর থানাধীন রায়পুর ইউনিয়নের ঝাড়পাড়া এলাকা থেকে ৬,৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি ট্রাক ও একটি মোবাইল ফোনসহ মোঃ সবুজ (৩০), পিতা-মোঃ সহিবর রহমান, থানা-রাণীশংকৈল, জেলা-ঠাকুরগাঁওকে আটক করে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট, ট্রাক ও মোবাইল ফোনসহ তাকে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট ও অন্যান্য মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৭২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। উক্ত অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ঠাকুরগাঁও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেছে। দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, মাদক চোরাচালান দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। মাদকের বিস্তার রোধ এবং এর সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে বিজিবি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদকবিরোধী অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। মাদক চোরাচালানসহ সব ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবির কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।

নদীর ভাঙন আর প্রতিকূল প্রকৃতির লড়াই পেরিয়ে কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের মানুষের জীবন যখন নানা বঞ্চনায় দীর্ণ, তখন আশার আলো নিয়ে পাশে দাঁড়াল বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ফ্রেন্ডশিপ’ এর এফডিআইডিপি প্রকল্প। সদর উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলের ৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে একটি করে সেলাই মেশিনসহ প্রয়োজনীয় দর্জি সরঞ্জাম। ফ্রেন্ডশিপ এফডিআইডিপি প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ও আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার কথা চিন্তা করে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। নির্বাচিত প্রত্যেক উপকারভোগীকে একটি করে উচ্চমানের সেলাই মেশিন ও স্ট্যান্ড দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি তাঁদের সেলাই কাজের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি হিসেবে প্রদান করা হয়েছে কাপড় কাটার কাঁচি, দুই রোল সুতা, মাপার ফিতা, স্কেল এবং অতিরিক্ত মেশিনের সুই। এর ফলে উপকরণ পাওয়ার পর পরই তাঁরা কোনো ধরনের বাড়তি খরচ ছাড়াই কাজ শুরু করতে পারবেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে ফ্রেন্ডশিপ অফিস চত্বরে আয়োজিত এই উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মশিউর রহমান মন্ডল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফ্রেন্ডশিপ ক্লাইমেট অ্যাকশন প্রজেক্ট ম্যানেজার আশরাফ মল্লিক এবং এফডিআইডিপি প্রজেক্ট ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম। এ সময় ফ্রেন্ডশিপের অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চরাঞ্চলের প্রতিবন্ধী মানুষেরা সমাজের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত অংশের অন্তর্ভুক্ত। তাঁদের পেছনে ফেলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। সামান্য একটু সুযোগ ও সহযোগিতার ছোঁয়া পেলে এই মানুষগুলোও যে সমাজের বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হতে পারে, আজকের এই উদ্যোগ তারই একটি বাস্তব প্রমাণ। ফ্রেন্ডশিপের এই ইতিবাচক প্রয়াস চরের পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক জনপদের জীবনমান উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উপকরণ হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন উপকারভোগী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা। তাঁদের চোখে-মুখে ফুটে ওঠে আগামী দিনে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এক নতুন প্রত্যয়। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, চরের পিছিয়ে থাকা প্রান্তিক জনপদে এ ধরনের জীবনমুখী ও কল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে কুড়িগ্রামের অবহেলিত চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে যাবে।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় জমে উঠেছে জমজমাট গ্রামীণ শিল্প ও বাণিজ্য মেলা|স্থানীয় মার্চেন্টস পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ মেলায় প্রতিদিন ভীড় করছেন নানা বয়সী দর্শনার্থীরা| দেশীয় পণ্য,হস্তশিল্প,শিশুদের বিনোদনমূলক রাইড ও বাহারি খাবারের সমাহারে মেলাটি হয়ে উঠেছে স্থানীয় মানুষের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয়|উল্লাপাড়া বণিক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলার উদ্বোধন করা হয় গত ৫ অক্টোবর|প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন, সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের শেখ| বিশেষ অতিথি ছিলেন,সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ| মেলার অন্যতম বিশেষত্ব হলো,এখানে নেই কোনো জুয়ার আসর,হাউজি কিংবা লটারির আয়োজন|ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে মেলা ঘুরে দেখছেন দর্শনার্থীরা| সকালে লোকসমাগম তুলনামূলক কম থাকলেও বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি| নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ|মেলার বিভিন্ন স্টলে স্থান পেয়েছে দেশীয় পণ্য, হস্তশিল্প ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা উপকরণ| রয়েছে হাতে তৈরি পোশাক,পাটের ছিকা, হাতে বানানো ব্যাগ,শিশুদের পোশাক,মাটির তৈরি খেলনা এবং মেয়েদের চুড়ি,মালাসহ বিভিন্ন ধরনের গহনা|এ ছাড়া নারীদের সাজসজ্জার সামগ্রী ও বাহারি খাবারের দোকানও রয়েছে| শিশুদের বিনোদনের জন্য স্থাপন করা হয়েছে বেশ কয়েকটি রাইড,যেখানে তাদের ভীড়ই বেশি চোখে পড়ছে|আয়োজক সূত্রে জানা গেছে,মেলায় মোট ৭০ জন উদ্যোক্তা তাদের পণ্য নিয়ে স্টল দিয়েছেন| দেশীয় পণ্যের প্রচার,স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটানোই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য|মেলায় ঘুরতে আসা শিক্ষার্থী শিহাব সরকার, জামিউল ইসলাম ও জারিফ ইসলাম জানায়,আগে এ ধরনের মেলা দেখতে তাদের জেলা শহরে যেতে হতো| এবার বাড়ির কাছেই বাণিজ্য মেলার আয়োজন হওয়ায় সহজেই মেলায় আসতে পারছে তারা| প্রায় প্রতিদিন বিকেলে এসে বিভিন্ন রাইডে চড়াসহ মেলার নানা আয়োজন উপভোগ করছে| তাদের কাছে মেলাটি বেশ আনন্দের ও আকর্ষণীয়|মেলায় কথা হয় স্থানীয় শিক্ষক জহুরুল ইসলাম ও রাজু আহমেদের সঙ্গে|তারা বলেন,আগে বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্য মেলায় জুয়ার আসর,হাউজি বসতে দেখা যেত| এসব আসরে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো| তবে উল্লাপাড়ার এবারের মেলায় জুয়া কিংবা অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের কোনো আয়োজন নেই| ফলে শিক্ষার্থী ও তরুণদের জন্য মেলাটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন| এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনের জন্য তারা আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান|উল্লাপাড়া বণিক সমিতির সভাপতি নিকসন কুমার আমিন বলেন, স্বাধীনতার পর উল্লাপাড়ায় এবারই প্রথম জুয়াবিহীন বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হয়েছে| জুয়ার কোনো আয়োজন না থাকলেও প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী মেলায় আসছেন| এ মেলার মাধ্যমে দেশীয় পণ্যের সরবরাহ এবং বাজার সম্প্রসারণে উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে| পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে| আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত মেলা চলবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন|উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন,শিল্প ও বাণিজ্য মেলার আয়োজন সত্যিই ব্যতিক্রমী| মেলাটি বেশ জমজমাটভাবে চলছে| মেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থানা-পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতি রাতেই টহল দেয়া হচ্ছে|

‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০২৬’ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসনের চত্বর থেকে একটি র্যালি বের হয়ে সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার কৌশল প্রদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, কুড়িগ্রামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রশাসক মোঃ আসাদুজ্জামান। জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রাক্কলনিক মনিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা জনস্বাস্থ্যের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুনুর রশিদ, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ড. আর রাফি তামজিদ, ফ্রেন্ডশিপ ক্লাইমেট এ্যাকশন প্রজেক্ট এর লাবিবুল ইসলাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন এর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার শ্যামল কস্তা, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি কুড়িগ্রাম এর নাসির আলী প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, সাবান দিয়ে সঠিকভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও কৃমি সংক্রমণের মতো বহু ঘাতক ব্যাধি থেকে সহজেই সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে করোনাকালসহ পরবর্তী সময়েও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার এই অভ্যাসটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই হাত ধোয়ার সঠিক অভ্যাস গড়ে তুলতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান বক্তারা। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বগুড়ায় মাদক মামলায় এক বছর তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আলমগীর শেখকে (৪৯) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১২। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত পৌনে ৮টার দিকে শহরের তিনমাথা ফ্লাইওভারের নিচে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (২৮ অক্টোবর) এসআরবি-১২-এর বগুড়া ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশালাইজড কোম্পানির (সিপিএসসি) কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি জানতে পারে, মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি আলমগীর শেখ বগুড়া সদর থানার তিনমাথা এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে এসআরবি-১২-এর একটি আভিযানিক দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। আলমগীর শেখ বগুড়া সদর উপজেলার গাজী পালশা এলাকার মৃত ইউনুস শেখের ছেলে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারার ১৯(ক) উপধারায় দায়ের করা একটি মামলায় তাঁর এক বছর তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাঁকে আরও ১০ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তিনি পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর আলমগীর শেখকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
