শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

North Xpress News
হোম
জাতীয়
সারাদেশ
রাজনীতি
উত্তরাঞ্চল
খেলাধুলা
বিনোদন
লাইফস্টাইল
অর্থনীতি
তথ্যপ্রযুক্তি
ফিচার
আরও
হোমজাতীয়সারাদেশরাজনীতিউত্তরাঞ্চলখেলাধুলাবিনোদনলাইফস্টাইলঅর্থনীতিতথ্যপ্রযুক্তিফিচারআরও
নর্থ এক্সপ্রেস নিউজযোগাযোগগোপনীয়তার নীতি

স্বত্ব © নর্থ এক্সপ্রেস নিউজ|কারিগরি সহায়তায়: Sohanur Rahman Jahin

শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

North Xpress News
হোম
জাতীয়
সারাদেশ
রাজনীতি
উত্তরাঞ্চল
খেলাধুলা
বিনোদন
লাইফস্টাইল
অর্থনীতি
তথ্যপ্রযুক্তি
ফিচার
আরও
হোমজাতীয়সারাদেশরাজনীতিউত্তরাঞ্চলখেলাধুলাবিনোদনলাইফস্টাইলঅর্থনীতিতথ্যপ্রযুক্তিফিচারআরও

অতিরিক্ত খরচ না থাকলে শ্রমিকদের ৪০ হাজার টাকা বেতন দিতে পারতাম’

অতিরিক্ত খরচ না থাকলে শ্রমিকদের ৪০ হাজার টাকা বেতন দিতে পারতাম’

নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের মজুরি ও ব্যবসায়ীদের ব্যয়সংকট নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রশাসনিক জটিলতা ও অতিরিক্ত খরচের বিষয়টি সামনে এনেছেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদ। তাঁর দাবি, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অতিরিক্ত ব্যয়, লাইসেন্স ও নবায়ন ফি এবং নানা ধরনের অননুমোদিত খরচ কমানো গেলে শ্রমিকদের বর্তমান ৩০ হাজার টাকার বদলে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন দেওয়ার সক্ষমতা মালিকদের থাকত। বুধবার নারায়ণগঞ্জের চাঁদমারী এলাকার চেম্বার ভবনে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। সভায় শিল্প ও ব্যবসা খাতের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে মাসুদুজ্জামান মাসুদ বলেন, “আপনাদের পয়সা না দিলে শ্রমিকদের ৩০ না, ৪০ হাজার টাকা বেতন দিতে পারতাম।” তিনি বলেন, ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দপ্তরে নানা ধরনের ব্যয় বহন করতে হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, জন্মদিন, কাস্টমসের ফি, এনবিআরের বিভিন্ন দাবি এবং বিভিন্ন ধরনের লাইসেন্স ও নবায়নের ক্ষেত্রে কাগজপত্রের কাজ করতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয়। বছরের পর বছর এসব খাতে লাখ লাখ থেকে কোটি কোটি টাকা খরচ করতে করতে ব্যবসায়ীরা চাপে পড়ে যাচ্ছেন। তার ভাষ্য, এ ধরনের বাড়তি ব্যয়ের কারণে অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকদের কাঙ্ক্ষিত বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার প্রকৃত ব্যয় কমানো গেলে শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর সুযোগ আরও তৈরি হতো। মাসুদুজ্জামান মাসুদ এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কাছে দ্রুত ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর দাবি জানান। তাঁর মতে, বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে ঘুরে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা কমানো, দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সহজ করা এবং অপ্রয়োজনীয় হয়রানি বন্ধ করা গেলে ব্যবসার খরচ কমবে। তখন শ্রমিকদের যে পরিমাণ বেতন নির্ধারণ করা হোক, মালিকপক্ষ তা পরিশোধ করতে আরও সক্ষম হবে। সভায় ব্যবসায়ীদের নিয়ে সমাজের বিভিন্ন মহলের সমালোচনার বিষয়েও কথা বলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, গণমাধ্যমে বা বিভিন্ন বক্তব্যে অনেক সময় ব্যবসায়ীদের এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যেন তারা শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করে কেবল মুনাফার চিন্তা করেন। অথচ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে দাপ্তরিক বিভিন্ন ব্যয় ও হয়রানির কারণে ব্যবসায়ীদের যে চাপের মধ্যে থাকতে হয়, তা অনেকের নজরে আসে না। তিনি বলেন, শিল্প ও কলকারখানা টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হলে শুধু মালিকদের ওপর চাপ বাড়ালেই হবে না; ব্যবসার পরিবেশও সহজ করতে হবে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের অপ্রয়োজনীয় জটিলতা ও অতিরিক্ত ব্যয় কমানো গেলে শিল্প খাতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের মজুরি ও মালিকদের ব্যয়সংকট নিয়ে সভায় ওঠা এসব বক্তব্যের পর প্রশাসনিক জটিলতা কমানো, সেবাপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং শিল্প খাতে অনিয়ম ও অতিরিক্ত ব্যয় বন্ধের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

🕒 ৫ ঘণ্টা আগে

রান্নার হাঁড়ি থেকেই খাবারে ঢুকছে বিষাক্ত সীসা, নতুন গবেষণায় উদ্বেগ

রান্নার হাঁড়ি থেকেই খাবারে ঢুকছে বিষাক্ত সীসা, নতুন গবেষণায় উদ্বেগ

স্বল্পমূল্যের অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র কিনে ব্যবহার করছেন অনেক পরিবার। কিন্তু এসব পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত বাতিল ধাতু থেকেই খাবারে ঢুকে পড়তে পারে বিষাক্ত সীসা। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এসব পাত্রে রান্না করা ভাত ও খিচুড়িতে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় সীসা মিশতে পারে। ব্যবহারের পাশাপাশি খসখসে মাজুনি দিয়ে পাত্র ঘষে পরিষ্কার করা এবং ধাতব খুন্তি দিয়ে খাবার নাড়াচাড়ার কারণেও সীসা নির্গমনের ঝুঁকি বাড়ে। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) ও যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটি ২৫ অক্টোবর ‘জার্নাল অব এক্সপোজার সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল এপিডেমিওলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। গবেষণায় দেখা যায়, পুনর্ব্যবহৃত ধাতু দিয়ে তৈরি নতুন অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রে প্রথমবার রান্না করা ভাতে প্রতি কেজিতে সর্বোচ্চ ৩০৫ মাইক্রোগ্রাম এবং খিচুড়িতে ৪২০ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত সীসা পাওয়া গেছে। গবেষকদের মতে, শিশুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিশেষভাবে উদ্বেগের। সীসার সংস্পর্শ তাদের শেখার ক্ষমতা, মনোযোগ, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও আচরণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘদিন সীসার সংস্পর্শে থাকলে প্রাপ্তবয়স্কদের হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ডব্লিউএইচওর মতে, সীসার সংস্পর্শের কোনো মাত্রাকেই নিরাপদ বলা যায় না। রক্তে সীসার মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ৫ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি হলে এর উৎস শনাক্ত করে সংস্পর্শ কমানোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে এই মাত্রাকে নিরাপদ সীমা হিসেবে বিবেচনা করা হয় না; বরং এটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার একটি সতর্কতামূলক নির্দেশক। গবেষণায় বলা হয়েছে, হাতে তৈরি অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র উৎপাদনে প্রায়ই বাতিল গাড়ির ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ, রেডিয়েটর, কম্পিউটারের বিভিন্ন উপাদান ও ক্যান গলিয়ে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এসব উপকরণে থাকা সীসা নতুন পাত্রে চলে আসতে পারে। তবে গবেষকেরা পরীক্ষিত পাত্রগুলো তৈরিতে ব্যবহৃত বাতিল ধাতুর নির্দিষ্ট উৎস শনাক্ত করতে পারেননি। আইসিডিডিআর,বির গবেষক ও গবেষণাটির সহলেখক মাহবুবুর রহমান বলেন, কম দামে রান্নার পাত্র তৈরির জন্য বাতিল ধাতু ব্যবহার বড় ধরনের উদ্বেগের বিষয়। গবেষকেরা আরও জানান, রান্না করা খাবারে সীসার পরিমাণ খাবারের ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। বিশেষ করে অম্লীয় খাবার দূষিত পাত্র থেকে তুলনামূলক বেশি সীসা বের করে আনতে পারে। গবেষণার পরীক্ষায় নতুন পাত্র থেকে সবচেয়ে বেশি সীসা নির্গত হতে দেখা গেছে। তবে বারবার ব্যবহারের সঙ্গে এর পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে আসে। এরপরও কয়েকবার ব্যবহারের পর এসব পাত্রে রান্না করা খাবারে সীসার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। গবেষকেরা দেখেছেন, খসখসে মাজুনি দিয়ে অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র ঘষে পরিষ্কার করলে সীসা নির্গমনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। অম্লীয় তরল ব্যবহার করে পরিচালিত একটি পৃথক পরীক্ষায় ঘষে পরিষ্কার করা পাত্র থেকে অপরিষ্কার পাত্রের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি সীসা বের হয়েছে। একইভাবে ধাতব খুন্তি দিয়ে খাবার নাড়াচাড়া করলেও পাত্র থেকে সীসা বের হওয়ার পরিমাণ বেড়েছে। গবেষণার জন্য বাংলাদেশি একজন সরবরাহকারীর কাছ থেকে ২০টি নতুন অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র সংগ্রহ করা হয়। এর পাশাপাশি বিভিন্ন পরিবারের কাছ থেকে আরও সাতটি ব্যবহৃত পাত্র নেওয়া হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়, ব্যবহৃত সাতটি পাত্রের মধ্যে ছয়টিতে রান্না করা ভাতে শনাক্তযোগ্য মাত্রায় সীসা ছিল। বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় ভাত খাওয়ার অভ্যাস নিয়ে আগের একটি গবেষণার তথ্য ব্যবহার করে গবেষকেরা হিসাব করেছেন, পরীক্ষিত পাত্রে দিনে তিনবার রান্না করা ভাত খেলে একটি শিশু প্রতিদিন প্রায় ১৩ থেকে ১৯ মাইক্রোগ্রাম সীসা গ্রহণ করতে পারে। গবেষকদের হিসাবে, এসব পাত্রে রান্না করা ভাত খেয়ে শিশুদের শরীরে প্রতিদিন যে পরিমাণ সীসা প্রবেশ করতে পারে, তা যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) নির্ধারিত শিশুদের দৈনিক সীসা গ্রহণের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশক মাত্রার তুলনায় প্রায় ছয় থেকে নয় গুণ বেশি। তবে শিশুদের ভাত খাওয়ার পরিমাণ সম্পর্কে গবেষকদের অনুমানের ভিত্তিতেই এ হিসাব করা হয়েছে। বাংলাদেশের বাস্তবতায় গবেষণার ফলাফলকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ইউনিসেফের ‘মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ২০২৫’-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশ শিশু এবং ৭ দশমিক ৫ শতাংশ গর্ভবতী নারীর রক্তে উচ্চমাত্রার সীসা পাওয়া গেছে। তবে দেশের মোট সীসা দূষণের কতটা রান্নার পাত্র থেকে ছড়ায়, তা এই গবেষণায় নির্ধারণ করা হয়নি। খাবার, রং এবং অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি পুনর্ব্যবহারের মতো বিভিন্ন উৎস থেকেও সীসা মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এর আগে বাংলাদেশের খাদ্য ও গৃহস্থালি পণ্যে সীসার উপস্থিতি নিয়েও বিভিন্ন গবেষণায় উদ্বেগের তথ্য পাওয়া গেছে। হলুদ, মাটির তৈরি বাসনপত্র, শিশুদের খেলনা ও অন্যান্য গৃহস্থালি সামগ্রীতে সীসা শনাক্ত হওয়ার তথ্য রয়েছে। ২০১৯ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় গ্রামীণ বাংলাদেশের গর্ভবতী নারীদের শরীরে সীসা প্রবেশের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে ভেজাল হলুদকে চিহ্নিত করা হয়। ওই গবেষণায় দেখা যায়, হলুদের রং উজ্জ্বল করতে সীসাযুক্ত রঞ্জক ব্যবহার করা হচ্ছিল। এ ছাড়া পিওর আর্থের ২০২৩ সালের এক সমীক্ষায় সিরামিকের বাসনপত্র ও শিশুদের খেলনার নমুনায় উচ্চমাত্রার সীসা পাওয়া যায়। তবে হলুদে সীসা দূষণ কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। ২০২৩ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, ২০১৯ সালে বাজার থেকে সংগ্রহ করা হলুদের ৪৭ শতাংশ নমুনায় শনাক্তযোগ্য সীসা ছিল। ২০২১ সালের একই পরীক্ষায় কোনো নমুনাতেই সীসা শনাক্ত হয়নি। গবেষকদের মতে, জনসচেতনতা, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় এবং হলুদে সীসাযুক্ত রং ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। মাহবুবুর রহমান বলেন, শুধু অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র ব্যবহার বন্ধ করার পরামর্শ দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। এসব পাত্র তুলনামূলক কম দামের হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যআয়ের অনেক পরিবার ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে। ফলে পুরোনো পাত্র বাদ দিয়ে নতুন পাত্র কেনা অনেক পরিবারের জন্য কঠিন। তার মতে, রান্নার পাত্র তৈরিতে দূষিত ও বাতিল ধাতু ব্যবহারের উৎসেই নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে গবেষকেরা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এবং রান্নার পাত্র প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এ বিষয়ে বিএসটিআইয়ের সঙ্গে একটি কর্মশালাও আয়োজন করা হয়। তবে মাহবুবুর রহমান জানান, পাত্র প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং এসব পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামালের উৎস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে গবেষকদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়েছে। আরও পরীক্ষার জন্য গবেষক দল ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নতুন রান্নার পাত্রের নমুনাও সংগ্রহ করেছে। বিএসটিআই দ্য ডেইলি স্টারকে লিখিতভাবে জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্রের জন্য বাধ্যতামূলক সনদ গ্রহণের নিয়ম চালু করা হয়েছে। এ নিয়মের আওতায় কারখানা ও বাজার থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উৎপাদকদের লাইসেন্সের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিএসটিআইয়ের নির্ধারিত বিডিএস ১১১০:২০২৫ মান অনুযায়ী, অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্রে সীসাসহ অন্যান্য বিষাক্ত ধাতুর মাত্রা নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকতে হবে। সংস্থাটির দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, এ ধরনের পাত্রে সীসা ও অন্যান্য বিষাক্ত ধাতুর সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা শূন্য দশমিক ০৫ শতাংশ। তবে এই সীমা প্রতিটি ধাতুর জন্য পৃথকভাবে প্রযোজ্য নাকি সম্মিলিতভাবে প্রযোজ্য, তা স্পষ্ট করা হয়নি। বিএসটিআই জানিয়েছে, নিয়ম লঙ্ঘনকারী উৎপাদনকারীদের লাইসেন্স বাতিলের পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অননুমোদিত পণ্যের বিক্রি বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পরিকল্পনাও রয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সীসা দূষণের ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা এবং অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করতে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও প্রচার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তিনি স্বীকার করেন, রান্নার পাত্র ঘষেমেজে পরিষ্কার করার ফলে সীসা দূষণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এ কারণে পরিবারগুলোকে যতটা সম্ভব অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র ব্যবহার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এদিকে ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশে সীসার সংস্পর্শজনিত ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে গত আগস্টে সরকার একটি খসড়া জাতীয় কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। এতে সীসা দূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি, বিধিনিষেধ ও আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মাহবুবুর রহমান বলেন, রান্নার পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল নিয়ন্ত্রণ এবং উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা তদারকিতে সরকারের আরও কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন। পরিবারের ওপর নতুন পাত্র কেনার চাপ না দিয়ে দূষণের উৎসেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। গবেষকেরা রান্নার সময় পাত্র থেকে খাবারে ঠিক কতটা সীসা মিশছে, তা যাচাই করে দেখার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন। তবে বিএসটিআইয়ের সনদ দেওয়ার পরীক্ষায় খাবারে সীসা নির্গমনের বিষয়টি যাচাই করা হয় কি না, তা সংস্থাটির জবাবে স্পষ্ট করা হয়নি।

🕒 ৫ ঘণ্টা আগে

নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া টেকসই অগ্রগতি সম্ভব নয়: জুবাইদা

নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া টেকসই অগ্রগতি সম্ভব নয়: জুবাইদা

নারীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী হলেও অর্থনীতির মূলধারায় তাঁদের অংশগ্রহণ এখনো পুরুষের তুলনায় অনেক কম। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে নারীর নেতৃত্ববিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) ও ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস যৌথভাবে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ৩০তম ইউএস ট্রেড শোর অংশ হিসেবে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। জুবাইদা রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ। বিপরীতে পুরুষের অংশগ্রহণের হার ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ। এই বড় ব্যবধান কমাতে নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও নেতৃত্ব বিকাশে সমান সুযোগ তৈরি করা জরুরি। তিনি বলেন, নারীর অগ্রগতি কেবল কতজন নারী শীর্ষ পর্যায়ের পদে পৌঁছেছেন, তার ভিত্তিতে বিচার করা উচিত নয়। তাঁদের সাফল্য অনুসরণ করে অন্য নারীরা কতটা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এবং কর্মক্ষেত্র ও সমাজে তাঁদের নেতৃত্ব কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে। সেমিনারে জুবাইদা রহমান জানান, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ দশমিক ৮ শতাংশ নারী। তবে বাল্যবিবাহ, শিক্ষার সীমিত সুযোগ এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবার অভাবে বিপুলসংখ্যক নারী এখনো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে পারছেন না। দেশের ৯০ হাজার ৪৯টি গ্রামের লাখ লাখ নারীও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রয়োজনীয়ভাবে সম্পৃক্ত নন। শিক্ষাক্ষেত্রে মেয়েদের ঝরে পড়ার হার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ২০২৩ সালের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের ঝরে পড়ার হার ৩৪ দশমিক ৯ শতাংশ এবং উচ্চ মাধ্যমিকে ২২ দশমিক ৫ শতাংশ। উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণের হার মাত্র ২০ দশমিক ৮ শতাংশ। তাই শিক্ষার প্রতিটি স্তরে মেয়েদের জন্য ধারাবাহিক সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি অর্জন করলেই নারীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে না। তাঁদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ব্যবহারিক দক্ষতায় দক্ষ করে তুলতে হবে। পাশাপাশি উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রশ্ন করার সক্ষমতা এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগও তৈরি করতে হবে। জুবাইদা রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের বিনা মূল্যে শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করেছিলেন। নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, একজন নারীর আয়, সঞ্চয় এবং নিজের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তাঁর ব্যক্তিগত জীবনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি পরিবারের সামগ্রিক সক্ষমতাও বাড়ায়। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা শুধু উপার্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও জড়িত। স্বাস্থ্য খাতে নারীদের কর্মসংস্থানের বিষয়েও তিনি বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাঁদের ৮০ শতাংশই নারী হবেন। পাশাপাশি নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ২৫ হাজার পেশাদার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। কর্মজীবী নারীদের পেশাগত অগ্রগতিতে ডে-কেয়ার সেন্টারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, পারিবারিক দায়িত্ব যেন নারীর কর্মজীবনের অগ্রগতিতে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে। দীর্ঘ বিরতির পর কর্মক্ষেত্রে নারীদের ফিরে আসার সুযোগ এবং নতুন দক্ষতা অর্জনের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রযুক্তির পরিবর্তন প্রসঙ্গে জুবাইদা রহমান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল সেবা ও নতুন প্রযুক্তি কর্মক্ষেত্রের ধরন দ্রুত বদলে দিচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতের অর্থনীতি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদ্ভাবননির্ভর হবে। তিনি বলেন, নারীর অগ্রগতি নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একক দায়িত্ব নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র এবং সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সেমিনারে সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা। প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, এফআইসিসিআই সভাপতি রূপালী হক চৌধুরী, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক নাজনীন আহমেদ, ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপপ্রধান ত্রিশিতা মওলা, শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শু শিয়ং এবং ওরাকলের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুবাবা দৌলা।

🕒 ৭ ঘণ্টা আগে
হিমালয় থেকে কুড়িগ্রামে অতিথি শকুন, স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার

হিমালয় থেকে কুড়িগ্রামে অতিথি শকুন, স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার

🕒 ৩৩ মিনিট আগে

স্থানীয় সংসদ সদস্য কর্তৃক ধাপসুলতানগঞ্জ হাট পরিদর্শন ॥ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে পৌর প্রশাসককে ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ

স্থানীয় সংসদ সদস্য কর্তৃক ধাপসুলতানগঞ্জ হাট পরিদর্শন ॥  বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে পৌর প্রশাসককে ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ধাপসুলতানগঞ্জ হাটের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া এলাকার সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার ৫নভেম্বর বৃহস্পতিবার সরেজমিনে হাট পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে তিনি ইজারা প্রদান না করে খাস ক্যালেকশন করা, টোল আদায়ের রশিদে টাকার পরিমাণ না লেখা, বিক্রেতার নিকট থেকে টোল আদায়ের বিধান না থাকলেও ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের নিকট থেকেই অতিরিক্ত টাকা আদায়, গাভীর গর্ভ পরীক্ষায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়, হাটে টোল আদায়ের মূল্য তালিকা না টাঙ্গানো সহ বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত করেন। এসব বিষয়ে দুপচাঁচিয়া পৌর প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরুখ খানকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়াও তিনি ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিদ্বার্থে টোল আদায়ের মূল্যে জনগণের মাঝে প্রচারের লক্ষ্যে মাইকিংয়ের মাধ্যমে জনসচেতনা সৃষ্টি ব্যবস্থা গ্রহনের কাথাও জানান। দুপচাঁচিয়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরুখ খান বলেন, নিয়ম অনুযায়ী হাট ইজারার বিজ্ঞপ্তি প্রদান করা হলেও দরপত্রে কেউ অংশ গ্রহণ না করায় বাধ্য হয়েই খাস ক্যালেকশন করা হচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে ইজারার মাধ্যমে যে রাজস্ব আদায় হতো খাস ক্যালেকশনের মাধ্যমে তার চেয়েও বেশি রাজস্ব আদায় হচ্ছে। আগামীতে যেভাবেই হোক ইজারার মাধ্যমে সর্বোচ্চ মূল্যে হাটটি ইজারা প্রদানের সর্বোচ্চ চেষ্টা গ্রহণ করবো। অন্যান্য অনিয়মের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

🕒 ১ দিন আগে

প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান নিয়ে মন্তব্যের জেরে দায়িত্ব হারালেন সচিব

প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান নিয়ে মন্তব্যের জেরে দায়িত্ব হারালেন সচিব

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি রাজনৈতিক স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করে বিতর্কের জন্ম দেওয়া ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। বুধবার প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়। চুক্তিভিত্তিক সচিব পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করা মসিউর রহমানকে ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে নেওয়া হলেও এর কারণ সম্পর্কে প্রজ্ঞাপনে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। গত ১ নভেম্বর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ উদ্যোগের আওতায় ছয়টি রুটে পরীক্ষামূলক বাস চলাচলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মসিউর রহমান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া একটি স্লোগান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেটিকে হাদিস হিসেবে অভিহিত করলে অনেকে মনে করতে পারেন, পরবর্তী পদায়নের আশায় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে তোষামোদ করছেন। তবে তার মতে, এটি একটি শাশ্বত বাণী। বক্তব্যে তিনি প্রধানমন্ত্রীর ‘আমার আগে আমরা, আমাদের আগে দেশ’ এবং ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশপ্রেম ও সম্মিলিত স্বার্থের কথা বলা এসব বাণীর সঙ্গে দ্বিমত করার সুযোগ নেই। একপর্যায়ে মসিউর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মুখে দাড়ি নেই এবং তিনি টুপি পরেন না বলেই বাণীটি হাদিস হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি। কোনো আলেম বা হুজুর একই কথা বললে সেটি হাদিস হয়ে যেত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানে দেওয়া মসিউর রহমানের এই বক্তব্যের ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা ও আলোচনা শুরু হয়।

🕒 ১ দিন আগে
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাতীয়

বগুড়ায় এইচএসসিতে ৫ কলেজে পাস করেনি কেউ, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল!

বগুড়ায় এইচএসসিতে ৫ কলেজে পাস করেনি কেউ, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল!

🕒 ৬ দিন আগে

কালিয়াকৈরে তরুণীকে ধর্ষণের পর মৃত্যুর অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার

কালিয়াকৈরে তরুণীকে ধর্ষণের পর মৃত্যুর অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার

🕒 ১ মাস আগে

জ্বালানি সরবরাহে নির্ভরতা বাড়ছে নির্দিষ্ট কয়েক প্রতিষ্ঠানের ওপর

জ্বালানি সরবরাহে নির্ভরতা বাড়ছে নির্দিষ্ট কয়েক প্রতিষ্ঠানের ওপর

🕒 ১ মাস আগে

পুরোনো বিদ্যুৎনীতি ও বর্তমান লোডশেডিংয়ের যোগসূত্র কোথায়

পুরোনো বিদ্যুৎনীতি ও বর্তমান লোডশেডিংয়ের যোগসূত্র কোথায়

🕒 ১ মাস আগে

আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ

আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ

🕒 ২ মাস আগে

সারাদেশ

রাজবাড়ীতে দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর।

রাজবাড়ীতে দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর।

🕒 ১ মাস আগে
অস্ত্র দেখিয়ে ভয়, জালিয়াতি করে জমি দখল’—অভিযোগ খয়বর আলীর বিরুদ্ধে

অস্ত্র দেখিয়ে ভয়, জালিয়াতি করে জমি দখল’—অভিযোগ খয়বর আলীর বিরুদ্ধে

🕒 ১ মাস আগে
দুপচাঁচিয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা

দুপচাঁচিয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা

🕒 ১ মাস আগে
সার নিতে দীর্ঘ অপেক্ষা, গোডাউনের বেড়া ভেঙে শতাধিক বস্তা নিয়ে গেলেন কৃষকেরা

সার নিতে দীর্ঘ অপেক্ষা, গোডাউনের বেড়া ভেঙে শতাধিক বস্তা নিয়ে গেলেন কৃষকেরা

🕒 ২ মাস আগে

রাজনীতি

পঞ্চগড় জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে পঞ্চগড়বাসীর প্রশ্ন

পঞ্চগড় জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে পঞ্চগড়বাসীর প্রশ্ন

🕒 ১ মাস আগে

উত্তরাঞ্চল

হরিপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

হরিপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

🕒 ১ মাস আগে
জয়পুরহাটে মহিলা দলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

জয়পুরহাটে মহিলা দলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

🕒 ১ মাস আগে
কামড় দিয়ে পালানোর চেষ্টা, হাসপাতালে বেনামে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার

কামড় দিয়ে পালানোর চেষ্টা, হাসপাতালে বেনামে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার

🕒 ১ মাস আগে
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল#1
ভাইরাল ‘নব্বই দশকের’ ছবি বানাতে ব্যবহার করুন এই ১০ প্রম্পট

ভাইরাল ‘নব্বই দশকের’ ছবি বানাতে ব্যবহার করুন এই ১০ প্রম্পট

🕒 ১ মাস আগে

অপরাধ

সলঙ্গায় মাদক ইভটিজিং বাল্যবিয়ে রোধে ওসির সতর্কবার্তা

সলঙ্গায় মাদক ইভটিজিং বাল্যবিয়ে রোধে ওসির সতর্কবার্তা

🕒 ১ মাস আগে

নারী ও শিশু

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪ বছরের নাতনির গর্ভধারণের অভিযোগ, ৭০ বছরের বৃদ্ধকে ঘিরে চাঞ্চল্য

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪ বছরের নাতনির গর্ভধারণের অভিযোগ, ৭০ বছরের বৃদ্ধকে ঘিরে চাঞ্চল্য

🕒 ১ মাস আগে