
নর্থ এক্সপ্রেস
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ - ১৭:৩৩
• পঠিত: ১ বার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নতুন সার ডিলার নিয়োগের তালিকা প্রকাশের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। চূড়ান্ত তালিকায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের আপন ভাতিজা, বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতা এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম থাকায় নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বঞ্চিত আবেদনকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, যোগ্যতার চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয় ও আত্মীয়তার সম্পর্ককে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কেউ কেউ নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও তুলেছেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও নিয়োগপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা।
গত ৭ অক্টোবর টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় নতুন সার ডিলার নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এরপর থেকেই মির্জাপুরের নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে। ডিলারশিপ না পাওয়া কয়েকজন আবেদনকারীর দাবি, দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি ও তাঁদের স্বজনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
বানাইল ইউনিয়ন ওলামা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন টিটু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রশ্ন তুলে লিখেছেন, ‘যার কোনো দোকান নাই, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নাই, কোনো গোডাউন ঘর নাই, সে কীভাবে সারের ডিলার পায়?’
মির্জাপুর উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক জুবায়েদ ইসলাম নিঝুমও এ নিয়োগ নিয়ে ফেসবুকে একাধিক পোস্ট দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, মির্জাপুরে সংসদ সদস্যের ভাতিজা, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও তাঁর ছেলে, বিএনপির নেতা এবং তাঁদের নিকটাত্মীয়েরা ডিলারশিপ পেয়েছেন।
সার ডিলারের তালিকা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মির্জাপুর পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে নতুন ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। ডিলারশিপ পেতে উপজেলায় আবেদন করেন ১১২ জন। উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্যরা যাচাই-বাছাই করে ৪৫ জনের নাম জেলা পর্যায়ে পাঠান। পরে সেখান থেকে ১৫ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়।





