লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টারের প্রতিযোগিতা থেকে অভিনয়ে পা রাখা বিদুষী বর্ণিতার ক্যারিয়ারে যুক্ত হয়েছে নতুন একটি কাজ। নির্মাতা শিহাব শাহীনের পরিচালনায় নির্মিত ওয়েবফিল্ম ‘ক্যাফে আমব্রেলা’-তে অভিনয় করেছেন তিনি। এতে তাওসিফ, পার্থ শেখ, জিলানিসহ আরও কয়েকজন শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছেন এই অভিনেত্রী।
বিদুষীর কাছে ওয়েবফিল্মটি শুধু একটি অভিনয় নয়, বরং নতুন অনেক কিছু শেখার সুযোগও। বিশেষ করে লাক্সের সময়ের পরিচিত কয়েকজনের সঙ্গে একই প্রজেক্টে কাজ করায় পুরোনো দিনের বন্ধুত্ব ও স্মৃতিও ফিরে এসেছে বলে জানান তিনি।
এই অভিনেত্রী বলেন, ‘ক্যাফে আমব্রেলা’ তার জন্য বিশেষ একটি কাজ। একই সঙ্গে লাক্সের টপ থ্রির সদস্যদের একসঙ্গে কাজ করার বিষয়টিও তাকে আনন্দ দিয়েছে। শুটিংয়ের সময় নিজেদের মধ্যে সহযোগিতার পাশাপাশি হাসি-আড্ডায় কেটেছে বেশ ভালো সময়।
শিহাব শাহীনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়েও উচ্ছ্বসিত বিদুষী। ক্যারিয়ারের শুরুতেই এমন একজন অভিজ্ঞ নির্মাতার সঙ্গে কাজ করতে পারাকে সৌভাগ্যের বিষয় হিসেবে দেখছেন তিনি। নির্মাতার গল্প বলার ধরন ও কাজের পদ্ধতি কাছ থেকে দেখা তার জন্য শেখার বড় সুযোগ হয়েছে বলে জানান।
তাওসিফের সঙ্গেও কাজ করে ভালো লেগেছে বিদুষীর। তার ভাষায়, তাওসিফ কাজের ক্ষেত্রে আন্তরিক এবং সহশিল্পীদের সঙ্গে সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ করেন।
পার্থ শেখের সঙ্গে কাজের স্মৃতিও আলাদা জায়গা দখল করে আছে বিদুষীর কাছে। লাক্সের প্রতিযোগী থাকা অবস্থায় একটি শর্টফিল্মে তার সঙ্গে প্রথম কাজ করেছিলেন। এবার একই প্ল্যাটফর্মের বিজয়ী হিসেবে অভিনয়জীবনের নতুন কাজেও পার্থ শেখকে সহশিল্পী হিসেবে পাওয়াকে সুন্দর এক অভিজ্ঞতা মনে করছেন তিনি।
জিলানির সঙ্গেও কাজের সময় উপভোগ করেছেন বিদুষী। তার মতে, জিলানির উপস্থিতি শুটিং সেটের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছিল।
ওয়েবফিল্মে নিজের চরিত্র সম্পর্কে আপাতত বিস্তারিত জানাতে নারাজ বিদুষী। তবে চরিত্রটি যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে নতুনভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে হয়েছে এবং অভিনয়ের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে হয়েছে বলেও জানান।
পুরো টিমের সহযোগিতাকে নিজের কাজের আত্মবিশ্বাসের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন বিদুষী। তার মতে, একটি গল্প দর্শকের কাছে ভালোভাবে পৌঁছে দিতে অভিনয়শিল্পীর পাশাপাশি নির্মাতা ও পুরো টিমের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ।
‘ক্যাফে আমব্রেলা’র গল্প নিয়েও আশাবাদী এই অভিনেত্রী। তার ভাষ্য, ছয়জন মানুষের জীবন, সম্পর্ক ও অনুভূতিকে ঘিরে এগিয়েছে গল্পটি। তাই দর্শক নিজেদের জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার সঙ্গে এর কিছু বিষয় মিলিয়ে নিতে পারবেন।
ওয়েবফিল্মটি দর্শকদের ভালো লাগবে বলেও প্রত্যাশা করছেন বিদুষী বর্ণিতা। তার মতে, এটি পুরো দলের জন্য আনন্দের একটি কাজ হয়ে উঠেছে এবং দর্শকরাও পর্দায় সেই অভিজ্ঞতার ছাপ দেখতে পাবেন।